Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

জয়পুরহাট-২ আসনে আলোচনায় অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন

 


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল, কালাই) আসনের প্রতিটি এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন অধ্যাপিকা মোছাঃ কারিমা খাতুন। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে পোস্টার, গণসংযোগ এবং প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, হোটেল ও চা দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।


অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ফজলুর রহমান মন্ডল। তিনি আকলাস, শিবপুর, শ্যামপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ক্ষেতলালের ছাইদ আলতাফুন্নেছা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (সমাজবিজ্ঞান) সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি ঢাকা ন্যাশনাল কলেজ থেকে বিএড এবং ঢাকা মহানগর ল কলেজ থেকে এলএলবি পাস করেন। ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স ও আইসিটি এবং লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্সেও তিনি দক্ষতা অর্জন করেন।


পেশাগত জীবনে তিনি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা ইউনাইটেড কলেজ, ন্যাশনাল পাবলিক কলেজ, এমিনেন্স কলেজ এবং কুইন মেরী কলেজে শিক্ষকতা করেছেন।


ছাত্রজীবনে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ২০১০ সালে তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-তে যোগ দেন। ২০১২ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট গঠনের পর থেকে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি গণতান্ত্রিক মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হন। তার সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে সারা দেশে গণতান্ত্রিক মহিলা দলের কার্যক্রম প্রসারিত হয়।


২০১৫ সালে এলডিপির জাতীয় কাউন্সিলে তিনি উপদেষ্টা পদে নির্বাচিত হন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগের দাবিতে তিনি সভা, সেমিনার, পদযাত্রা, গণঅনশন, ধর্মঘটসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তার স্বামী অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুর রহমান রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে আহত হন।


অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন তার রাজনৈতিক পিতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের আদর্শে অনুপ্রাণিত। ড. অলি আহমদকে তিনি দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদ ও দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করেন। তার মতে, সৎ ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্বই একটি দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সক্ষম।


অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন জয়পুরহাট-২ আসনের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমরা বিএনপির পরীক্ষিত বন্ধু। যুগপৎ আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমি বিশ্বাস করি, জোটগত নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ আসনে আমি শতভাগ মনোনয়ন পাব। আমার লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা। জনগণের সেবা করতে আমাকে একবার সুযোগ দিন।”


জয়পুরহাট-২ আসনের জনগণের দোয়া ও সমর্থন কামনা করে অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন একটি উন্নত ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ