Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ: মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক ও গণতন্ত্রের অগ্রদূত


২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এলডিপি ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক অবাক হোসাইন রনি এক বক্তব্যে বলেন, "জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন না করে নির্বাচন আয়োজন করা জনগণের সঙ্গে তামাশার শামিল হবে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, "রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি; ছাত্র ও জনতার হত্যার বিচার না করে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হলে, দেশ আরেকটি ৫ই আগস্টের মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে।"


তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়, কারণ প্রশাসনে এখনো স্বৈরাচারের দোসররা বসে আছে। "প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যারা নির্দোষ, তাদের নিয়ে নির্বাচন হলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই," বলেন রনি।


তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) অলি আহমদ বীর বিক্রমের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ সংগঠিত করতে কর্নেল অলি আহমদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেন।


কর্নেল অলি আহমদ বাংলাদেশের প্রথম সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য বীরত্বের জন্য ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত হন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান অনস্বীকার্য এবং ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয়।


অন্যদিকে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানা যায়, ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালের রাতে তিনি ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।


এই প্রেক্ষাপটে, অবাক হোসাইন রনি ও এলডিপি নেতৃবৃন্দের দাবি, "সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করেই কেবলমাত্র নির্বাচন আয়োজন করা উচিত, যাতে দেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।"


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ