“২০০১ সালের ১৮ই এপ্রিল পঞ্চগড় জেলার বড়াইবাড়ী সীমান্তে আমাদের সীমান্ত রক্ষীরা এবং সাহসী এলাকাবাসী একত্র হয়ে ভারতীয় বিএসএফ-এর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তা ছিল এক অভূতপূর্ব বীরত্বের দৃষ্টান্ত। এই দিনটি ইতিহাসে ‘বড়াইবাড়ী দিবস’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়া উচিত।
আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে চাই, আজও আমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিনটিকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করি না, শহীদদের প্রাপ্য সম্মান দেই না। কিন্তু বড়াইবাড়ী এলাকাবাসী গত ২৪ বছর ধরে নিজেদের উদ্যোগে এই দিনটি পালন করে আসছেন—এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।
এ বছর জানতে পেরেছি, কিছু অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা গ্রামের মানুষের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বড়াইবাড়ীতে গিয়ে দিবসটি পালনে অংশ নিচ্ছেন। আমি তাঁদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আপনাদের এ প্রচেষ্টা সফল হোক, এবং ভবিষ্যতে যেন আরও বৃহৎ পরিসরে দিবসটি পালিত হয়, শহীদদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন হয়।
আমি আবারও বলতে চাই—১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে যেসব বীরত্বগাথা রচিত হয়েছে, তা আমাদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের সঠিক ইতিহাস জানতে দিতে হবে, না হলে আমরা ইতিহাসের পাতায় অকৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে থেকে যাবো।
আল্লাহ হাফেজ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

0 মন্তব্যসমূহ